পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ঘড়ি

রনি মন্ডল | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ৭৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৩ মে, ২০২১

0Shares

পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহত্তম ঘড়ি এখন পুণ্যভূমি সৌদি আরবের মক্কা নগরীতে অবস্থিত ‘মক্কা ক্লক’। গ্রিনিচ মান সময় বা গ্রিনিচ মান টাইম (GMT) এর বিকল্প হিসেবে তৈরি করা হয়েছে ‘মক্কা মান সময় ‘ বা Mecca Mean Time (MMT) ।সারাবিশ্বে সময় নির্ধারিত হয়ে থাকে গ্রিনিচ মান সময় অনুসারে। তবে গ্রিনিচ মানের দিন এখন শেষ হয়ে আসছে বলা যায়। কারণ, দিন আসছে মক্কা মান সময়ের। পৃথিবীর সময় নির্ধারক ঘড়িকে অতিক্রম করে মক্কায় অবস্থিত মক্কা ক্লক এখন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ঘড়ি।
পৃথিবীর বৃহত্তম এই ঘড়িটি আরব সময়সূচি অনুযায়ী চলে, যা গ্রিনিচ সময় থেকে তিন ঘন্টা এগিয়ে। পবিত্র কাবা শরিফের দক্ষিন গেটের কাছাকাছি ৭টি বিশাল টাওয়ারের আবরার আল বাইত কমপ্লেক্সের মাঝে তৈরি করা হয়েছে রয়েল মক্কা ক্লক টাওয়ার। এ টাওয়ারের উপর বসানো হয়েছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ঘড়ি মক্কা ঘড়ি।
১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে নির্মিত চতুর্মুখী ঘড়িটির একমুখে লাগানো হয়েছে ৯ কোটি ৮০ লাখ পিস গ্লাস মোজাইক। শিলালিপিতে খোদাই করে আরবিতে লেখা আছে আল্লাহু আকবর শব্দগুচ্ছ। যা ২১০০০ রঙিন বিজলী বাতির আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে উঠে।
আল্লাহর নামের ওপরের দিকে ৫৯০ মিটার উচ্চতায় স্থাপন করা হয়েছে সোনা দিয়ে মোড়ানো ৭৫ ফুট ডায়ামিটারেরেকটি বাঁকা চাঁদ।এই স্থাপত্যটির মুল স্তাপত্যের দ্বায়িত্বে ছিল সৈদি বিন লাদেন গ্রুপ এবং এর স্থপতি দার আল হানদাশাহ। ডিজাইন করেছে সুইস ও জার্মানীর প্রকোশলোরা।ঘড়িটির প্রস্তুতকারক বিশ্বখ্যাত জার্মানির এস.এল রাশ কোম্পানি।
বিশেষ বিশেষ দিবস উপলক্ষে এ চাঁদ থেকে আকাশে বিচ্ছুরিত হয়প্রায় ১৬ টি উজ্জ্বল আলোকরশ্মি, যা আকাশের দশ কিলোমিটার ছড়িয়ে যায়। ২০ লাখ এলএডি বাতি আল্লাহর নামকে প্রজ্জ্বল্ললিম করে রাখে রাতভর।
প্রতিবছর মক্কা শতীফে লাখ লাখ মানুষের যাতায়াত হয়।অনেকেই জানা না যে সেই সুবিশাল ঘড়িটিওই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ঘড়ি। এটা শুধু বড়ই নয় নতুন্ত্বের দিক দিয়েও শ্রেষ্ঠ। এর নির্মাণ কাজ ২০০২ সালে শুরু হয়ে ২০১০ সালে সম্পন্ন হয়।তারপর দুইবছর লাগিয়ে ঘড়ির বিভিন্ন ফাংশান পরীক্ষা -নিরীক্ষা করে ২০১২ সালে ফাইনালি উদ্বোধন করা হয়।
লেখক, আনজুম রুহী

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg