শিরোনাম
জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হলো রাজবাড়ী সার্কেল আয়োজিত ইসলামিক কুইজ প্রতিযোগিতা ২০২১ করোনা ভাইরাস থেকে পরিত্রাণের জন্য রাজবাড়ী সার্কেলের বিশেষ দোয়া মাহফিল গোয়ালন্দে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার নতুন পোশাক পেল সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা দৌলতদিয়ায় হেরোইনসহ ৩ জন আটক রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভ্রাম্যমান আদালতে ব্যবসায়ীসহ ৫জনকে অর্থ জরিমানা পশ্চিম আকাশে চাঁদ দেখা গিয়াছে, আগামীকাল থেকে রোজা শুরু  গোয়ালন্দে গাঁজা ও নগত টাকা সহ এক মাদককারবারি আটক দৌলতদিয়ায় সেই গৃহবধূ, ওসির হস্তক্ষেপে ৭ দিন পর নিজ ঘরে প্রবেশ করলেন গোয়ালন্দে তৈরি হচ্ছে রং-চিনির মিশ্রণে ‘খাঁটি’ আখেঁর গুড় রাজবাড়ীতে নতুন করে ৫৪ জন করোনা আক্রান্ত

ধানক্ষেত নষ্ট করে বিক্রি হচ্ছে ফসলি জমির মাটি

রনি মন্ডল | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ৭৭ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১

0Shares

সাইফুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ:
জেলার সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের নবগ্রাম আশ্রয়ন প্রকল্পের সামনে কৃষিজমি ধ্বংস করে মাটি কেটে বিক্রি করা হচ্ছে।
জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ যাবত রাতের আধারে কৃষি জমিতে ভেকু বসিয়ে মাটি কাটছে সাদ্দাম নামের এক মাটির ব্যবসায়ী। আর রাতের আধারে এই ফসলি জমির কেটে মাটি বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটায়। এলাকার কৃষকদের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাকর্মীর ভয় দেখিয়ে তিন ফসলি জমি নষ্ট করে মাটি কাটা হচ্ছে।
যার ফলে এক দিকে নষ্ট হচ্ছে কৃষকের আবাদকৃত বোরো ধান অপর দিকে ধ্বংস হচ্ছে ঐ এলাকার ঐতিহ্যবাহী কাঁচারাস্তাটি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নবগ্রাম ইউনিয়নের আশ্রয়ণ প্রকল্পের সামনে ৮০’র দশকে নির্মিত একাধিক বাংলা নাটক-সিনেমার শুটিং হওয়া সেই রাস্তার নষ্ট করে বর্তমানে বোরো ধান আবাদকৃত তিন ফসলি জমি নষ্ট করে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে রাতের আধারে চলছে রমরমা এই মাটির ব্যবসা। ঐতিহ্যবাহী ওই রাস্তা দিয়ে ড্রাম ট্রাক ভর্তি মাটি পরিবহনের ফলে রাস্তাটি ভেঙ্গে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়ে গেছে। এই রাস্তার পাশেই নির্মিত হচ্ছে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্প। এবং ওই এলাকার দুটি বিদ্যালয় ও একটি বাজারের একমাত্র যাতায়াতের রাস্তা।
ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান, মাটি ব্যবসায়ী রাজনৈতিক নেতাদের ভয় দেখিয়ে চলমান বোরো ধানের প্রজেক্টের মাঝ খানে ভেকু দিয়ে মাটি কাটছে। ভেকু দিয়ে মাটি কাটার ফলে আমাদের রোপনকৃত বোরোধান ক্ষেত ভেঙে পড়ছে। এতে আমাদের কষ্টে ফলানো ফসল নষ্ট হচ্ছে। অথচ আমরা এই মাটি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পাচ্ছি না।
মাটি ব্যবসায়ী সাদ্দামের সাথে মুঠোফেনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি অনুমোদন নিয়ে মাটির ব্যবসা করছি। সবাইকে ম্যানেজ করেই ব্যবসা করতে হয়।
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, এই ব্যাপারে আমি এখনও কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। সরজমিনে গিয়ে তদন্তপুর্বক মাটি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg