শিরোনাম
গোয়ালন্দ প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান রাজবাড়ীতে শেখ হাসিনার নির্দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে সম্মানি বিতরণ অবৈধ ড্রেজার ব্যবসায়ীকে জরিমানা, ৭টি ড্রেজার জব্দ গোয়ালন্দে অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ এমপি কন্যা চৈতীর উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হলো রাজবাড়ী সার্কেল আয়োজিত ইসলামিক কুইজ প্রতিযোগিতা ২০২১ করোনা ভাইরাস থেকে পরিত্রাণের জন্য রাজবাড়ী সার্কেলের বিশেষ দোয়া মাহফিল গোয়ালন্দে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার নতুন পোশাক পেল সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা দৌলতদিয়ায় হেরোইনসহ ৩ জন আটক রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভ্রাম্যমান আদালতে ব্যবসায়ীসহ ৫জনকে অর্থ জরিমানা পশ্চিম আকাশে চাঁদ দেখা গিয়াছে, আগামীকাল থেকে রোজা শুরু 

লকডাউনে শ্রমজীবি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের দুর্দশা এখন চরমে।

রনি মন্ডল | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ১২৭ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১

0Shares

মোশারফ হোসেন।

লকডাউনের কারণে কুমারখালী শ্রমজীবী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অর্থ সংকটে এখন চরমে। বিশেষ করে
রিক্সাওয়ালা, হকার, হাজারো শ্রমজীবী এখন ভবিষ্যত নিয়ে চরম হতাশার মধ্যে রয়েছে।

এসব শ্রমজীবী কিংবা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা যেহেতু সরাসরি সরকারি আর্থিক প্রণোদনার আওতায় নেই আবার শ্রম আইনের বাইরে থাকায় পেনশন কিংবা ন্যুনতম ক্ষতিপূরণের সুযোগও নেই।

ফলে স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে করোনা পরিস্থিতিতে আয় হারিয়ে এসব মানুষ এখন টিকে থাকবে কি করে।

তিন বছর ধরে কাপড়ের ব্যবসা করে আজাদ মিয়া।

 

এবারের পহেলা বৈশাখ ও ঈদকে কেন্দ্র করে আয় এবং ব্যবসা বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি।

কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউন আগেই ব্যবসার সকল কার্যক্রম চলছিল ধীর গতিতে।

আজাদ মিয়া নিজে তো আর্থিকভাবে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেনই একই সঙ্গে তার প্রতিষ্ঠানে কর্মজীবী পাঁচজনও পড়েছেন ক্ষতিতে।

আজাদ মিয়া “বৈশাখ এবং ঈদে আমরা ব্যবসা তো করতে পারলামই না, এখন আমাদের পরিবারই আর্থিকভাবে হুমকির মধ্যে। আমার কর্মচারীদের আমি গত মাসের বেতন দিয়েছি। সামনের মাসে দিতে পারবো কি-না, জানি না। এমনকি তাদেরকে চাকরীতে রাখবো না ছেড়ে দেবো সেটাও বুঝতে পারছি না। এখন তাদের অবস্থা তো আরো খারাপ।”

আজাদ মিয়ার সমস্যা দেখছেন, ভবিষ্যতে নতুন করে ব্যবসা শুরুর ক্ষেত্রেও। কারণ তার মতো অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের ব্যবসায়ীরা সেভাবে সরকারি প্রণোদনার আওতায় নেই।

ভ্যান চালক পলাশের অবশ্য এখনি অতো দূরের ভবিষ্যতের কথা ভাবতে পারছেন না।

ভ্যান চালিয়ে অর্থ উপার্জন করা জহুরুল বর্তমান সময়ে কিভাবে জীবন চালাবেন তা নিয়েই দু:শ্চিন্তায়। পলাশ বলছিলেন,

“আমি অন্যের ভ্যান চালাইতাম। সব খরচ বাদে যা থাকতো তার প্রতিদিন ৩০০ টাকা থাকতো । এখন জিরো।
ধার-দেনা করে আপাতত: চলছেন।
পরে কী হবে তা বুঝতে পারছেন না।
স্টেশন বাজারের ফুটপাতে লেবু বিক্রেতা বাবু বলেন, দ্বিতীয় ধাপের লকডাউন এর কারণে ঠিক মতো খেয়ে বেঁচে থাকার এখন বড় কঠিন।

সরকারের খাদ্য সহায়তার আওতার বাইরেই রয়ে গেছেন অনেক হাজার- হাজার মানুষ।

বাজারে অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা এখনো তাদের কর্মীদের বেতন দেয়নি। তারাও রয়েছেন বিপদে।

একটি বিউটি পার্লারে কাজ করেন এরকম একজন কর্মী নাম প্রকাশ না করে জানিয়েছেন, তারা গত মার্চ মাসের বেতন পাননি।

এমনকি মার্চের শেষ দিকে যখন পার্লার বন্ধ হয়ে যায়, তখন প্রতিষ্ঠান থেকে ১ হাজার টাকা ধার নিয়ে গ্রামে ফিরেছেন তিনি।

চলতি মাসেও বেতন পাবেন কি-না, না পেলে কীভাবে সংসার চালাবেন তা নিয়ে দু:শ্চিন্তায় আছেন তিনি।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg