শিরোনাম
দৌলতদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক বহিস্কার গোয়ালন্দে ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগে উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আটক- গোয়ালন্দে ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই জন আটক গোয়ালন্দ প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান রাজবাড়ীতে শেখ হাসিনার নির্দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে সম্মানি বিতরণ অবৈধ ড্রেজার ব্যবসায়ীকে জরিমানা, ৭টি ড্রেজার জব্দ গোয়ালন্দে অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ এমপি কন্যা চৈতীর উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হলো রাজবাড়ী সার্কেল আয়োজিত ইসলামিক কুইজ প্রতিযোগিতা ২০২১ করোনা ভাইরাস থেকে পরিত্রাণের জন্য রাজবাড়ী সার্কেলের বিশেষ দোয়া মাহফিল গোয়ালন্দে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার নতুন পোশাক পেল সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা

ফসলি জমিতে পুকুর খননের হিড়িক, কমছে আবাদি জমি

রনি মন্ডল | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ১৭০ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১

0Shares

কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি।

জমির প্রকৃতি পরিবর্তন করা যাবে না’—এমন সরকারি নির্দেশ থাকলেও কুষ্টিয়া কুমারখালী তিন ফসলি কৃষি জমিগুলোকে পরিণত করা হচ্ছে গভীর পুকুরে। এতে করে উপজেলায় আশঙ্কাজনক হারে কমছে কৃষি জমির পরিমাণ। এক শ্রেণির পুকুর ব্যবসায়ীরা কৃষকদের ফসলি জমিতে পুকুর খননের লোভনীয় প্রস্তাব দিচ্ছেন। উপজেলার সদকী ইউনিয়নের করাদকান্দি মাঠ অধিকাংশ কৃষি জমিতে ভেকু মেশিন দিয়ে ৮ ফুট গভীর করে জমির চারদিকে বাঁধ দিয়ে পুকুর খননের এই মহোৎসব চলছে।

দিনরাত বিরতিহীন পুকুর খনন করে সেই মাটি উপজেলা বিভিন্ন ইটভাটায় সরবারহ করা হচ্ছে। কৃষকরা না বুঝে হারাচ্ছেন তাদের উর্বর ফসলি জমি, অন্যদিকে আঙুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছেন এক শ্রেণির প্রভাবশালী পুকুর ব্যবসায়ীরা।

সদকী, শিলাইদহ, যদুবয়রা, নন্দলালপুর, জগন্নাথপুর, উপজেলা সকল ইউনিয়নে স্থানীয় কিছু ব্যক্তিদের সহযোগিতায় কৃষি জমিতে পুকুর খননের এই উৎসব চলছে। ব্যক্তি মালিকানা জমির পাশাপাশি সরকারের ১নং খতিয়ানভূক্ত জমিও এই পুকুর দস্যুদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না।

জানা গেছে, উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে নদী-নালা খাল-বিল বাদে প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার দুই শ’ চল্লিশ হেক্টর ফসলি জমি রয়েছে। শ্রেণিভেদে প্রায় সকল জমিতেই সারা বছর কোনও না কোনও ধরণের ফসল হয়। কিন্তু কৃষি উপকরণের মূল্য বৃদ্ধি এবং উৎপাদিত ধানের যথাযথ মূল্য না পাওয়ায় প্রতি বিঘা জমি ১২ হাজার টাকার বিনিময়ে ৫ থেকে ১০ বছর মেয়াদের চুক্তি করছে কৃষকরা। চুক্তির আওতায় তাদের ফসলি জমি পুকুরে পরিণত করা হচ্ছে। জমির সেই মাটি প্রতি গাড়ি (ট্রাক্টর) ৭০০ টাকায় বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রয় করছে পুকুর ব্যবসায়ীরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দেবাশীষ কুমার দাস বলেন, ‘জমির প্রকৃতি পরিবর্তন করা যাবে না’- ভূমি মন্ত্রণালয়ের এমন নির্দেশনা থাকলেও তা অমান্য করে স্কেবেটার মেশিন দিয়ে মাটি কেটে ফসলি জমিতে পুকুর খনন করা হচ্ছে। এ কারণে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় সদকী ইউনিয়নের মৌজার বেশকিছু জমিতে চলতি মৌসুমে বোরো ধান না হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আমরা কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে পুকুর খনন থেকে বিরত থাকার জন্য। এছাড়াও কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধি করাসহ দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীবুল ইসলাম খান বলেন, এদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জমির শ্রেণী বদল না হলে কেউ পুকুর ভরাট বা খনন করতে পারেন না।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg