শিরোনাম
রাজবাড়ীর নবনির্বাচিত মেয়রকে সংবর্ধনা জানালেন আর এস কে ইনস্টিটিউশন ১৯৯৮ এস.এস.সি ব্যাচ মিজানপুর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ টুকু মিজি’র নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পাংশায় তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার রাজবাড়ী ডি‌বি পুলিশের অ‌ভিয‌ানে পে‌টের ম‌ধ্যে থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার রাজবাড়ী পৌরসভায় মেয়র নির্বাচিত হলেন আ.লীগ স্বতন্ত্র প্রার্থী আলমগীর শেখ তিতু গোয়ালন্দ পৌরসভায় প্রথম আ.লীগ সমর্থিত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মন্ডলের জয় পদ্মায় কার্গোর সাথে যাত্রীবাহী লঞ্চের সংঘর্ষ, অল্পতে রক্ষা পেলেন দুই শতাধিক যাত্রী রাজবাড়ীতে কোভিড-১৯ টিকা সর্বপ্রথম নিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোয়ালন্দে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আনিছের আত্মহত্যা

গোয়ালন্দের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই, বিশেষ দিবসে ব্যবহার করা হয় কলাগাছ

রনি মন্ডল | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ৯০ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

সংবাদটি শেয়ার করুন

জহুরুল ইসলাম হালিম :
ভাষা আন্দোলনের ৬৯ বছরেও রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্মিত হয়নি কোন শহীদ মিনার। বিশেষ করে এ উপজেলার ৫টি কলেজের একটিতেও নেই শহীদ মিনার। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ে অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরই এমন অবস্থা । ফলে ওইসব প্রতিষ্ঠানে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষ দিবসগুলো যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে।
সরকারিভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বাঙালি জাতির গর্ব ও অহংকারের দিন একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করার নির্দেশনা থাকলেও এবার গোয়ালন্দ উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা শহীদ মিনার না থাকায় ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, গোয়ালন্দ উপজেলায় ৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৫১টি যার মধ্যে শহীদ মিনার আছে মাত্র ৬টিতে, মাধ্যমিক স্কুল রয়েছে ১৭টি যার মধ্যে শহীদ মিনার আছে মাত্র ৫টিতে এবং কলেজ রয়েছে ৫টি যার একটিতেও নেই কোন শহীদ মিনার। সব মিলিয়ে ৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৬২টিতেই নেই শহীদ মিনার।

সরেজমিনে হাউলি কেউটিল বেপারি পাড়ায় অবস্থিত গাজী সাইফুল ইসলাম বিদ্যানিকেতনে গেলে স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা গাজী সাইফুল ইসলাম মুঠোফোন বলেন, শহীদ মিনারের অভাবে গতবছর আমাদের স্কুলে কলাগাছ ও বাঁশের সাহায্যে নির্মিত শহীদ মিনারে ফুল দিতে হয়েছে। সরকার যদি নির্মাণ করে দিতো তাহলে শিক্ষার্থীরা নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই দিবসটি পালন করতে পারতো।

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ সরকারি কামরুল ইসলাম কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল হালিম তালুকদার বলেন, অর্থ সংকটের কারণে সুষ্টিলগ্ন থেকে অদ্যবধি শহীদ মিনার নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন আলোচনা -সমালোচনা চললেও এ বিষয়ে কার্যকরী কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি।

এ বিষয়ে অভিভাবক, স্কুল ও কলেজের শিক্ষকরা জানান, অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না থাকা খুবই দুঃখজনক। স্কুল, কলেজগুলোতে শহীদ মিনার না থাকার পেছনে ওই সকল প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে, এখানে অর্থের সংকট কোন বিষয় না।

এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম জানান, আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করেছি ,বাজেট ঘাটতি রয়েছে যার কারণে এই মূহুর্তে এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি তবে খুব দ্রুতই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শহীদ মিনার নির্মাণের ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg