শিরোনাম
গোয়ালন্দে কৃষকদের বাধা উপেক্ষা করে প্রভাবশালী মহল মরাপদ্মায় ড্রেজার দিয়ে অবাধে মাটি উত্তোলন করছে দৌলতদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক বহিস্কার গোয়ালন্দে ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগে উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আটক- গোয়ালন্দে ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই জন আটক গোয়ালন্দ প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান রাজবাড়ীতে শেখ হাসিনার নির্দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে সম্মানি বিতরণ অবৈধ ড্রেজার ব্যবসায়ীকে জরিমানা, ৭টি ড্রেজার জব্দ গোয়ালন্দে অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ এমপি কন্যা চৈতীর উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হলো রাজবাড়ী সার্কেল আয়োজিত ইসলামিক কুইজ প্রতিযোগিতা ২০২১ করোনা ভাইরাস থেকে পরিত্রাণের জন্য রাজবাড়ী সার্কেলের বিশেষ দোয়া মাহফিল

গোয়ালন্দের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই, বিশেষ দিবসে ব্যবহার করা হয় কলাগাছ

রনি মন্ডল | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ১৯১ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

0Shares

জহুরুল ইসলাম হালিম :
ভাষা আন্দোলনের ৬৯ বছরেও রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্মিত হয়নি কোন শহীদ মিনার। বিশেষ করে এ উপজেলার ৫টি কলেজের একটিতেও নেই শহীদ মিনার। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ে অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরই এমন অবস্থা । ফলে ওইসব প্রতিষ্ঠানে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষ দিবসগুলো যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে।
সরকারিভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বাঙালি জাতির গর্ব ও অহংকারের দিন একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করার নির্দেশনা থাকলেও এবার গোয়ালন্দ উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা শহীদ মিনার না থাকায় ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, গোয়ালন্দ উপজেলায় ৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৫১টি যার মধ্যে শহীদ মিনার আছে মাত্র ৬টিতে, মাধ্যমিক স্কুল রয়েছে ১৭টি যার মধ্যে শহীদ মিনার আছে মাত্র ৫টিতে এবং কলেজ রয়েছে ৫টি যার একটিতেও নেই কোন শহীদ মিনার। সব মিলিয়ে ৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৬২টিতেই নেই শহীদ মিনার।

সরেজমিনে হাউলি কেউটিল বেপারি পাড়ায় অবস্থিত গাজী সাইফুল ইসলাম বিদ্যানিকেতনে গেলে স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা গাজী সাইফুল ইসলাম মুঠোফোন বলেন, শহীদ মিনারের অভাবে গতবছর আমাদের স্কুলে কলাগাছ ও বাঁশের সাহায্যে নির্মিত শহীদ মিনারে ফুল দিতে হয়েছে। সরকার যদি নির্মাণ করে দিতো তাহলে শিক্ষার্থীরা নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই দিবসটি পালন করতে পারতো।

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ সরকারি কামরুল ইসলাম কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল হালিম তালুকদার বলেন, অর্থ সংকটের কারণে সুষ্টিলগ্ন থেকে অদ্যবধি শহীদ মিনার নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন আলোচনা -সমালোচনা চললেও এ বিষয়ে কার্যকরী কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি।

এ বিষয়ে অভিভাবক, স্কুল ও কলেজের শিক্ষকরা জানান, অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না থাকা খুবই দুঃখজনক। স্কুল, কলেজগুলোতে শহীদ মিনার না থাকার পেছনে ওই সকল প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে, এখানে অর্থের সংকট কোন বিষয় না।

এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম জানান, আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করেছি ,বাজেট ঘাটতি রয়েছে যার কারণে এই মূহুর্তে এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি তবে খুব দ্রুতই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শহীদ মিনার নির্মাণের ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg