শিরোনাম
সরকারের মহাপ্রকল্প থাকলেও পদ্মায় চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন। অফিস ফাঁকি দিয়ে নারী নিয়ে স্পা সেন্টারে জেলা রেজিস্ট্রার! মানব পাচার মামলা: দুই সপ্তাহেও গ্রেফতার হয়নি আসামীরা মানিকগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন: সভাপতি আমিনুল, সম্পাদক নুরুজ্জামান গোয়ালন্দে ৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক কাজী ছালামের বিরুদ্ধে বাল্যবিয়ে পড়ানোসহ নানা অভিযোগ গোয়ালন্দে পানিতে ডুবে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু গোয়ালন্দে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভনে বাগানে নিয়ে এক নারীকে গণধর্ষনের অভিযোগ কৃষকের বাড়ি নির্মাণে আ.লীগ নেতার চাঁদা দাবি, থানায় অভিযোগ ছাত্রীদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় শিক্ষককে পেটালো সাবেক ২ ছাত্র

গোয়ালন্দের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই, বিশেষ দিবসে ব্যবহার করা হয় কলাগাছ

ষ্টাফ রিপোর্টার | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ৪১৭ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

0Shares

জহুরুল ইসলাম হালিম :
ভাষা আন্দোলনের ৬৯ বছরেও রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্মিত হয়নি কোন শহীদ মিনার। বিশেষ করে এ উপজেলার ৫টি কলেজের একটিতেও নেই শহীদ মিনার। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ে অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরই এমন অবস্থা । ফলে ওইসব প্রতিষ্ঠানে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষ দিবসগুলো যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে।
সরকারিভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বাঙালি জাতির গর্ব ও অহংকারের দিন একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করার নির্দেশনা থাকলেও এবার গোয়ালন্দ উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা শহীদ মিনার না থাকায় ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, গোয়ালন্দ উপজেলায় ৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৫১টি যার মধ্যে শহীদ মিনার আছে মাত্র ৬টিতে, মাধ্যমিক স্কুল রয়েছে ১৭টি যার মধ্যে শহীদ মিনার আছে মাত্র ৫টিতে এবং কলেজ রয়েছে ৫টি যার একটিতেও নেই কোন শহীদ মিনার। সব মিলিয়ে ৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৬২টিতেই নেই শহীদ মিনার।

সরেজমিনে হাউলি কেউটিল বেপারি পাড়ায় অবস্থিত গাজী সাইফুল ইসলাম বিদ্যানিকেতনে গেলে স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা গাজী সাইফুল ইসলাম মুঠোফোন বলেন, শহীদ মিনারের অভাবে গতবছর আমাদের স্কুলে কলাগাছ ও বাঁশের সাহায্যে নির্মিত শহীদ মিনারে ফুল দিতে হয়েছে। সরকার যদি নির্মাণ করে দিতো তাহলে শিক্ষার্থীরা নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই দিবসটি পালন করতে পারতো।

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ সরকারি কামরুল ইসলাম কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল হালিম তালুকদার বলেন, অর্থ সংকটের কারণে সুষ্টিলগ্ন থেকে অদ্যবধি শহীদ মিনার নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন আলোচনা -সমালোচনা চললেও এ বিষয়ে কার্যকরী কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি।

এ বিষয়ে অভিভাবক, স্কুল ও কলেজের শিক্ষকরা জানান, অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না থাকা খুবই দুঃখজনক। স্কুল, কলেজগুলোতে শহীদ মিনার না থাকার পেছনে ওই সকল প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে, এখানে অর্থের সংকট কোন বিষয় না।

এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম জানান, আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করেছি ,বাজেট ঘাটতি রয়েছে যার কারণে এই মূহুর্তে এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি তবে খুব দ্রুতই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শহীদ মিনার নির্মাণের ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg