শিরোনাম
শিবালয়ে নিষিদ্ধ সময়ে যমুনার চরে দিনব্যাপী ইলিশের হাট দৌলতদিয়ার যৌনপল্লিতে যৌনকর্মীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার- গোয়ালন্দে কৃষকদের বাধা উপেক্ষা করে প্রভাবশালী মহল মরাপদ্মায় ড্রেজার দিয়ে অবাধে মাটি উত্তোলন করছে দৌলতদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক বহিস্কার গোয়ালন্দে ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগে উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আটক- গোয়ালন্দে ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই জন আটক গোয়ালন্দ প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান রাজবাড়ীতে শেখ হাসিনার নির্দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে সম্মানি বিতরণ অবৈধ ড্রেজার ব্যবসায়ীকে জরিমানা, ৭টি ড্রেজার জব্দ গোয়ালন্দে অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ এমপি কন্যা চৈতীর উদ্যোগে

মানিকগঞ্জে সমিতির নামে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা

অনলাইন ডেস্ক | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ৩৫৫ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

0Shares

সাইফুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি, ০২ ফেব্রুয়ারী
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে সমবায় সমিতির নামে গ্রাহকদের নিকট হতে অল্প সঞ্চয়ে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দৃষ্টি সমবায় সমিতি, পল্লীসেবা সমবায় সমিতি, জন উন্নয়ন সমবায় সমিতি ও নিউ দৃষ্টি সমবায় সমিতি। অথচ এসব এনজিও’র বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছেনা কোন আইনগত ব্যবস্থা।
জানা যায়, এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালক সোলাইমান বিশ্বাস  ও তার ছেলে মোঃ বাহালুল বিশ্বাস উপজেলা সমবায় কার্যালয় থেকে সমবায় সমিতির রেজিষ্টেশন নিয়ে সমবায় সমিতির আইন অমান্য করে অধিক মুুনাফার লোভ দেখিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঋণদানের নামে দরিদ্র, সহজ-সরল ও খেটে খাওয়া মানুষের কাছ থেকে অবৈধভাবে আমানত সংগ্রহ করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। যা সমবায় সমিতির আইন বর্হিভূত।
স্থানীয়রা জানান, সোলাইমান বিশ^াস ২০১০ সালে ছায়াগ্রাম নামের একটি সমবায় সমিতি ভাড়া নিয়ে এনজিও ব্যবসা শুরু করেন। এরপরে সোলাইমান বিশ্বাস  নিজে এবং ছেলে মোঃ বাহালুল বিশ্বাসের নামে বেনামে উপজেলা সমবায় কার্যালয় থেকে ৪টি সমিতির রেজিষ্টেশন নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ক্ষুদ্র ঋণদান কর্মসূচির নামে গড়ে তুলেছে ব্যাংকিং কার্যক্রম। স্থানীয় খেটে খাওয়া মানুষ তাদের শেষ সম্বলটুকু এ সমিতিতে গচ্ছিত রাখছেন আর গ্রাহকদের সেই অর্থ হাতিয়ে নিয়ে সোলাইমান বিশ^াস ও তার ছেলে মোঃ বাহালুল বিশ্বাস এখন কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি(এমআরএ) সনদ ছাড়াই সোলাইমান ও তার ছেলে মোঃ বাহালুল সমবায় সমিতির রেজিষ্টেশন নিয়ে সিংগাইর উপজেলার জামির্ত্তা ইউনিয়নের মধুরচর এলাকায় দৃষ্টি সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি, বায়রা ইউনিয়নের গাড়াদিয়া এলাকায় জন উন্নয়ন সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি, জয়মন্টপ এলাকায় পল্লীসেবা সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি ও চান্দহর ইউনিয়নের বাঘুলী এলাকায় নিউ দৃষ্টি সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতির মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিভিন্ন মেয়াদে ফিক্সড ডিপোজিট, ডিপিএসের নামে অর্থ আদায় করা হচ্ছে।
গত ১০ বছর যাবৎ এসব সমবায় সমিতির নামে অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও লাগাম টেনে ধরতে পারছে না সমবায় কর্মকর্তারা। সমবায় আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সোলাইমান ও তার ছেলে মোঃ বাহালুল অবৈধভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। অথচ সমবায় কর্মকর্তারা এর কোন খোজ খবর রাখছে না। রেজিষ্টেশন দিয়েই দায়সাড়া সমবায় কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে দৃষ্টি, পল্লীসেবা, জন উন্নয়ন ও নিউ দৃষ্টি সমবায় সমিতির পরিচালক মোঃ বাহালুল বলেন, এমআরএ সনদের জন্য আবেদনের চিন্তাভাবনা করেছি। করোনার কারণে এখনো আবেদন করা সম্ভব হয়নি। আমার এবং আমার বাবার কষ্টের টাকায় এই সমিতিগুলো পরিচালনা করি। আমরা অবৈধভাবে এনজিও কার্যক্রম পরিচালনা করিনা।
এ ব্যাপারে জেলা সমবায় কর্মকর্তা সুমন আহমেদ বলেন, যদি এসব সমবায় সমিতি ব্যাকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg