শিরোনাম
এক ঘণ্টার জন্য গোয়ালন্দ উপজেলার ইউএনও হলেন বাবলী- শিবালয়ে নিষিদ্ধ সময়ে যমুনার চরে দিনব্যাপী ইলিশের হাট দৌলতদিয়ার যৌনপল্লিতে যৌনকর্মীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার- গোয়ালন্দে কৃষকদের বাধা উপেক্ষা করে প্রভাবশালী মহল মরাপদ্মায় ড্রেজার দিয়ে অবাধে মাটি উত্তোলন করছে দৌলতদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক বহিস্কার গোয়ালন্দে ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগে উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আটক- গোয়ালন্দে ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই জন আটক গোয়ালন্দ প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান রাজবাড়ীতে শেখ হাসিনার নির্দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে সম্মানি বিতরণ অবৈধ ড্রেজার ব্যবসায়ীকে জরিমানা, ৭টি ড্রেজার জব্দ

দৌলতদিয়ায় আলোচিত মানব পাচার মামলার মূল হোতা মামুন আটক

জহুরুল ইসলাম হালিম | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২১

0Shares

টেলিগ্রাফ ডেস্ক : ১৪ কিশোরী উদ্ধার সংক্রান্তে মানব পাচার মামলার মূল হোতা আব্দুল আল মামুন আনন্দ (৩৪),কে সোমবার গ্রেফতার করেছে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ। তিনি দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর নাজমা বাড়ির ভাড়াটিয়া। তিনি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নাবালিকা মেয়ে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে এনে বিক্রি করতেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলার ফার্মপাড়া এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। উল্লেখ্য রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া যৌনপল্লী থেকে ১৪ কিশোরীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান রাজবাড়ী পুলিশ সুপার এম এম শাকিলুজ্জামান।
তিনি জানান, মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) যৌনপল্লী থেকে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেন এক খদ্দের। পরে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল তায়াবীরসহ পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় পল্লীর নাজমা বেগমের বাড়ি থেকে তিন কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।পরে তাদের তথ্যের ভিত্তিতে একই বাড়ির একটি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে আরও ১১ কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশ সুপার বলেন, উদ্ধার কিশোরীরা বিভিন্ন সময় পাচার চক্রের মাধ্যমে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে আসে। সেখানে তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছিল।
এম এম শাকিলুজ্জামান আরও বলেন, উদ্ধার হওয়া কিশোরীদের আদালতের মাধ্যমে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
কারো নাম-পরিচয় শনাক্ত না হলে তাদের সেফ হোমে পাঠানো হবে।উদ্ধার হওয়া একাধিক কিশোরী জানায়, ভালো চাকরি ও বেতনের প্রলোভনে তাদের যৌনপল্লীতে বিক্রি করা হয়। ঠিক মতো খাবার দেয়া হতো না। কিছু বললে বাড়িওয়ালি নাজমাসহ তার সহযোগীরা অমানবিক নির্যাতন চালাত। এখন আমরা বাড়িতে বাবা-মায়ের কাছে ফিরে যেতে চাই।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ্-আল- তায়াবীর বলেন, দৌলতদিয়ার ১৪ কিশোরী উদ্ধার সংক্রান্তে মানব পাচার মামলার মূল হোতা আব্দুল আল মামুন আনন্দ কে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg