শিরোনাম
রাজবাড়ীর নবনির্বাচিত মেয়রকে সংবর্ধনা জানালেন আর এস কে ইনস্টিটিউশন ১৯৯৮ এস.এস.সি ব্যাচ মিজানপুর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ টুকু মিজি’র নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পাংশায় তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার রাজবাড়ী ডি‌বি পুলিশের অ‌ভিয‌ানে পে‌টের ম‌ধ্যে থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার রাজবাড়ী পৌরসভায় মেয়র নির্বাচিত হলেন আ.লীগ স্বতন্ত্র প্রার্থী আলমগীর শেখ তিতু গোয়ালন্দ পৌরসভায় প্রথম আ.লীগ সমর্থিত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মন্ডলের জয় পদ্মায় কার্গোর সাথে যাত্রীবাহী লঞ্চের সংঘর্ষ, অল্পতে রক্ষা পেলেন দুই শতাধিক যাত্রী রাজবাড়ীতে কোভিড-১৯ টিকা সর্বপ্রথম নিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোয়ালন্দে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আনিছের আত্মহত্যা

গোয়ালন্দে গরুর খামার করে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন সহোদর দুই ভাই

নিউজ ডেস্ক | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ৯৪ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২১

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 10
    Shares

সোহাগ মিয়া (গোয়ালন্দ -রাজবাড়ী)
গাভী পালন করেই ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন মিলন ও নিজাম নামের দুই ভাই ।তাদের ঠিকানা গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের মৃর্ধাডাঙ্গা এলাকায় দরিদ্র পরিবারে তাদের জন্ম বর্তমান তারা গাভী পালন করে ভালো জীবন-যাপন করছেন।কালামের পরামর্শে ২০১৫ সাল থেকে ২০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে একটি দেশি জাতের গাভী কিনে গাভি পালন শুরু করেন মিলন ও নিজাম। গাভী থেকে প্রতিদিন যে দুধ পেতেন তা বিক্রি করে ঋণের কিস্তি পরিশোধের পাশাপাশি সংসারের অভাব মোচনেও ব্যয় করতে শুরু করেন। এভাবে মিলন ও নিজাম স্বপ্নগুলো ধীরে ধীরে ডানা মেলতে থাকে।২০১৭ সালে ডেইরি ফার্ম স্থাপন করেন তিনি। ফার্মের নাম দেন ‘মুকুল ডেইরি ফার্ম ’। আর এই খামার প্রতিষ্ঠায় অর্থের যোগান তারা দুই ভাই দেন । ২০১৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত পাচঁ বছরে তাদের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে এখন তারা স্বাবলম্বী জীবন-যাপন করছেন । বর্তমানে তার খামারে ১৫টি গাভীসহ গরুর সংখ্যা২০টি। তার এই খামারে দৈনিক গড়ে ১৩০ লিটার দুধ উৎপাদন হয়। উৎপাদিত দুধ স্থানীয় বাজারসহ রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন মিষ্টির দোকান সহ বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করেন। এ ছাড়া প্রতি মাসে গোবর বিক্রি করেও তার আয় হয়। মিলন ও নিজাম বলেন, ‘ইচ্ছা ও মনোবল এবং পরিশ্রম করলে সফলতা আসবেই।’তিনি জানান, তার বাৎসরিক আয় প্রায় ১৪ লাখ টাকা। বাৎসরিক ব্যয় প্রায় ১০ লাখ টাকা। আয়-ব্যয় মিটিয়ে তার বাৎসরিক নিট আয় ৪ লাখ টাকা।খামারে পাঁচজন স্থায়ী ও ছয়জন খণ্ডকালীন কর্মী কাজ করেন। খামারের পরিধি আরও বাড়াতে ৫ বিঘা জমি কেনার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। খামারটি সম্প্রসারিত হলে আরো অনেক বেকার যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে বলে মনে করেন দুই ভাই। তারা বেকার যুবকদের উদ্দেশ্যে বলেন আপনারা বেকার সময় না কাটিয়ে উদ্যোক্তা হন বিভিন্ন কাজের উদ্যোগ নিলে আপনাদের সাফল্য অবশ্যই আসবে।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg