শিরোনাম
সার্কেল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রাজবাড়ী সদরের উড়াকান্দা বাজারে মানবতার দেওয়াল শাজাহান হোসেন মনির ব্যক্তিগত উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ সার্কেল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বালিয়াকান্দিতে মানবতার দেওয়াল রাজবাড়ীতে নৈশ মিনি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত বহরপুরে জাটকা বিক্রয়ে তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা আগামীকাল থেকে এসএসসি’র রেজিস্ট্রেশন কার্ড বিতরণ পাংশাতে পরোয়ানা ভুক্ত আসামী গ্রেফতার মাগুরা থেকে আসা যুবকের‘সড়ক দুর্ঘটনায়’গোয়ালন্দে মৃত্যু পদ্মা পাড়ে মাটি কাটতে বেপরোয়া হয়ে ওঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা গোয়ালন্দে মাস্ক না পরায় ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা

টিউশন ফি ছাড়া অন্য খাতে টাকা নিতে পারবে না স্কুল-কলেজ

নিউজ ডেস্ক | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ৫০ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 34
    Shares

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও বেসরকারি স্কুল-কলেজগুলো শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি নিতে পারবে। তবে এর বাইরে টিফিন, পুনঃভর্তি, গ্রন্থাগার, বিজ্ঞানাগার, ম্যাগাজিন ও উন্নয়ন বাবদ এবং অ্যাসাইনমেন্ট সংক্রান্ত কোনো ফি নেওয়া যাবে না। বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো . গোলাম ফারুক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

করোনা মহামারীর মধ্যে যেসব অভিভাবকের আয় কমে গেছে বা যারা চাকরি হারিয়েছেন, তাদের সন্তানদের টিউশন ফি আদায়ের ক্ষেত্রে ‘বিশেষ বিবেচনার’ আহ্বান জানিয়েছে মাউশি।

কোভিড ১৯-এর কারণে গত ১৮ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেতনভাতা টিউশন ফি নিচ্ছে বহু প্রতিষ্ঠান। এ নিয়ে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অভিভাবকদের টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এমপিওভুক্ত ও ননএমপিভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিউশন ফি গ্রহণ করবে, কিন্তু অ্যাসাইনমেন্ট, টিফিন, পুনঃভর্তি, গ্রন্থাগার, বিজ্ঞানাগার, ম্যাগাজিন ও উন্নয়ন বাবদ কোনো ফি গ্রহণ করতে পারবে না। করা হলে তা ফেরত দেবে অথবা তা টিউশন ফিয়ের সঙ্গে সমন্বয় করবে। এছাড়াও অন্য কোনো ফি যদি অব্যয়িত থাকে তা একইভাবে ফেরত দেবে বা টিউশন ফিয়ের সাথে সমন্বয় করবে। তবে যদি কোন অভিভাবক চরম আর্থিক সংকটে পড়েন, তাহলে তার সন্তানের টিউশন ফিয়ের বিষয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ বিশেষ বিবেচনায় নেবেন। কোনো শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন যেন ব্যহত না হয় সে বিষয়ে যত্নশীল হতে হবে।

মাউশি আরও বলেছে, ২০২১ সালের শুরুতে যদি কোভিড-১৯ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয় তা হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিফিন, পুনঃভর্তি, গ্রন্থাগার, বিজ্ঞানাগার, ম্যাগাজিন, উন্নয়ন ফির নামে অর্থ নিতে পারবে না। অর্থাৎ যে টাকা নির্দিষ্ট খাতে শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যয় করা যাবে না, সেই টাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেবে না।

তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আগের মতো সব ধরনের ‘যৌক্তিক’ ফি নেয়া যাবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

দেশে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে ৮ মার্চ। এর ১০ দিন পর প্রথম মৃত্যু হয় দেশে। ওই দিন থেকে দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। লকডাউনও দেয়া হয়।

পরিস্থিতির উত্তরণ না হওয়ায় এবার পঞ্চম ও অষ্টমের সমাপনী পরীক্ষা এবং মাধ্যমিক স্তরের বার্ষিক পরীক্ষা বাতিল করেছে সরকার।

আর অষ্টমের সমাপনী এবং এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হবে।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও বেসরকারি স্কুল-কলেজগুলো শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি নিতে পারবে। তবে এর বাইরে টিফিন, পুনঃভর্তি, গ্রন্থাগার, বিজ্ঞানাগার, ম্যাগাজিন ও উন্নয়ন বাবদ এবং অ্যাসাইনমেন্ট সংক্রান্ত কোনো ফি নেওয়া যাবে না। বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো . গোলাম ফারুক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

করোনা মহামারীর মধ্যে যেসব অভিভাবকের আয় কমে গেছে বা যারা চাকরি হারিয়েছেন, তাদের সন্তানদের টিউশন ফি আদায়ের ক্ষেত্রে ‘বিশেষ বিবেচনার’ আহ্বান জানিয়েছে মাউশি।

কোভিড ১৯-এর কারণে গত ১৮ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেতনভাতা টিউশন ফি নিচ্ছে বহু প্রতিষ্ঠান। এ নিয়ে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অভিভাবকদের টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এমপিওভুক্ত ও ননএমপিভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিউশন ফি গ্রহণ করবে, কিন্তু অ্যাসাইনমেন্ট, টিফিন, পুনঃভর্তি, গ্রন্থাগার, বিজ্ঞানাগার, ম্যাগাজিন ও উন্নয়ন বাবদ কোনো ফি গ্রহণ করতে পারবে না। করা হলে তা ফেরত দেবে অথবা তা টিউশন ফিয়ের সঙ্গে সমন্বয় করবে। এছাড়াও অন্য কোনো ফি যদি অব্যয়িত থাকে তা একইভাবে ফেরত দেবে বা টিউশন ফিয়ের সাথে সমন্বয় করবে। তবে যদি কোন অভিভাবক চরম আর্থিক সংকটে পড়েন, তাহলে তার সন্তানের টিউশন ফিয়ের বিষয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ বিশেষ বিবেচনায় নেবেন। কোনো শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন যেন ব্যহত না হয় সে বিষয়ে যত্নশীল হতে হবে।

মাউশি আরও বলেছে, ২০২১ সালের শুরুতে যদি কোভিড-১৯ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয় তা হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিফিন, পুনঃভর্তি, গ্রন্থাগার, বিজ্ঞানাগার, ম্যাগাজিন, উন্নয়ন ফির নামে অর্থ নিতে পারবে না। অর্থাৎ যে টাকা নির্দিষ্ট খাতে শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যয় করা যাবে না, সেই টাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেবে না।

তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আগের মতো সব ধরনের ‘যৌক্তিক’ ফি নেয়া যাবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

দেশে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে ৮ মার্চ। এর ১০ দিন পর প্রথম মৃত্যু হয় দেশে। ওই দিন থেকে দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। লকডাউনও দেয়া হয়।

পরিস্থিতির উত্তরণ না হওয়ায় এবার পঞ্চম ও অষ্টমের সমাপনী পরীক্ষা এবং মাধ্যমিক স্তরের বার্ষিক পরীক্ষা বাতিল করেছে সরকার।

আর অষ্টমের সমাপনী এবং এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হবে।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর