শিরোনাম

জোর করে পতিতাবৃত্তি করানোর অভিযোগে আটক ১

নিউজ ডেস্ক | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ৭৫ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২০

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 31
    Shares

রাজবাড়ী জেলা গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় লিলি বেগম নামের এক মেয়েকে জোর করে পতিতাবৃত্তি করানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগে মোছাঃ লিলি বেগম (১৯) পিতাঃ মোঃ আলতাব শাহ গ্রামঃ জুজারহাট, থানা ও জেলাঃ নাটোর- উল্লেখ করেন , আমি গরিব কৃষকের মেয়ে আমার বাবা মায়ের ডিভোর্সের পরে আমি বাবার কাছেই থাকতাম। একটা সময় অজ্ঞাতনামা বিবাদীর সাথে আমার ফোনে পরিচয় হয় এবং আমি তার কাছে আমার বাবার অসচ্ছলতার কথা বললে তিনি আমাকে ঢাকায় ভালো বেতনে চাকরি পাইয়ে দেয়ার আশ্বাস দেন। ২০২০ সালের মার্চ মাসের প্রথম দিকে অজ্ঞাতনামা ছেলেটি আমাকে ট্রেনযোগে গোয়ালন্দ থানাধীন দৌলতদিয়া ঘাট রেলস্টেশনে আসতে বলে এবং সেখান থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাবে বলে আশ্বাস দেন। আমি তার কথামতো বাড়ি থেকে গোয়ালন্দ উপজেলাধীন দৌলোদিয়া ঘাট রেলস্টেশনে আসি। রেল স্টেশনে নেমে অজ্ঞাতনামা ছেলেটির ফোন বন্ধ পাই এবং কিছুক্ষণ পরে ১ নং বিবাদী রোজিনা বেগম, স্বামী মোঃ সুমন মন্ডল সাংঃ দৌলতদিয়া পতিতালয় গোয়ালন্দ রাজবাড়ী তিনি আমাকে বলেন আপনার নাম কি লিলি? আমি বললাম হ্যাঁ আমি। আলকন রোজিনা বেগম আমাকে বলেন, তোমাকে আমার সাথে যেতে বলেছে আমি তোমাকে গার্মেন্টসে ভালো বেতনে চাকরি দেব। আমি সরল বিশ্বাসী চাকরি পাবার আশায় তাহার সাথে গেলে তিনি আমাকে এগুলো দিয়ে বাজারের বিভিন্ন স্থানে ঘোরান।রাত আনুমানিক সাড়ে ৯ টার সময় পতিতালয়ের ভেতরে রোজিনা বেগম এর বাড়িতে আমাকে নিয়ে একটা রুমে আটকিয়ে রাখেন, তখন আমি বুঝতে রোজিনা বেগম আমাকে পতিতাবৃত্তি করানোর জন্য নিয়ে এসেছে। রোজিনা বেগম জোর করে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে একাধিক পুরুষের সাথে পতিতাবৃত্তি করতে বাধ্য করেন। পরবর্তীতে আমি বিভিন্ন সময়ে সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় এবং সর্বশেষ ৮ নভেম্বর ২০২০ রাত আনুমানিক ২ ঘটিকার সময় আমি বিবাদী রোজিনা বেগমের বাড়ি থেকে কৌশলে বের হয়ে দৌড় দিলে বিবাদী রোজিনা বেগম আমাকে ধরার চেষ্টা করে। ওই সময় আমি ডাক চিৎকার করিলে পার্শ্ববর্তী লোকজন বিবাদী রোজিনা বেগম কে ধরে ফেলে। তাকে ধরে ডিউটিরত পুলিশকে খবর দিলে বিবাদী রোজিনা বেগমকে আটক করে আমাকে সহ থানায় নিয়ে আসে এবং থানাতে এসে তার এবং অজ্ঞাতনামা একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করি।

এব্যাপারে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল তায়াবির বলেন, অভিযুক্ত একজনকে আটক দেখিয়ে তার বিরুদ্ধে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে এবং চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে জোর পূর্বক পতিতাবৃত্তি কাজে বাধ্য ও সহায়তা করার অপরাধে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্ত আটক মহিলাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে পরবর্তী ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

ফিরোজ আহমেদ
গোয়ালন্দ

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর