শিরোনাম
শিবালয়ে নিষিদ্ধ সময়ে যমুনার চরে দিনব্যাপী ইলিশের হাট দৌলতদিয়ার যৌনপল্লিতে যৌনকর্মীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার- গোয়ালন্দে কৃষকদের বাধা উপেক্ষা করে প্রভাবশালী মহল মরাপদ্মায় ড্রেজার দিয়ে অবাধে মাটি উত্তোলন করছে দৌলতদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক বহিস্কার গোয়ালন্দে ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগে উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আটক- গোয়ালন্দে ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই জন আটক গোয়ালন্দ প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান রাজবাড়ীতে শেখ হাসিনার নির্দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে সম্মানি বিতরণ অবৈধ ড্রেজার ব্যবসায়ীকে জরিমানা, ৭টি ড্রেজার জব্দ গোয়ালন্দে অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ এমপি কন্যা চৈতীর উদ্যোগে

গোয়ালন্দে প্রতিবন্ধীদের ভাতাকার্ড প্রদান

সম্পাদকীয় | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ১৯৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২০

0Shares

গোয়ালন্দ উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় থেকে গোয়ালন্দ পৌরসভা, দেবগ্রাম, ছোটভাকলা এবং উজানচর ইউনিয়নে সর্বমোট ৩২১ জন প্রতিবন্ধীকে ভাতার কার্ড প্রদান করা হয়েছে।এ বছর শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে উন্মুক্ত ভাবে এ ভাতা ভোগীদেরকে বাছাই করা হয়েছে বলে জানা যায়। প্রতিবন্ধীদের মধ্যে থেকে সবচেয়ে বেশি দরিদ্র প্রতিবন্ধীদের ভাতা প্রদান করা হয়েছে বলে জানা যায়।

গোয়ালন্দ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার চন্দন মিত্র জানান, গোয়ালন্দ উপজেলা সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে প্রত্যেক প্রতিবন্ধী পুরো অর্থ বছরের এককালিন ৯০০০/= টাকা ইতিমধ্যেই তারা হাতে পেয়েছেন। এ বছর থেকে থেকে তারা জিটুপি পদ্ধতিতে ৭৫০/= টাকা হিসেবে প্রত্যেক প্রতিবন্দী প্রতি ৩ মাস পরপর একসঙ্গে অনলাইনে এ সকল ভাতার টাকা পাবে। তিনি আরও বলেন,পৌরসভার কাউন্সিলর এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের মাধ্যমে আমরা এ কাজটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি। গোয়ালন্দ উপজেলায় শতভাগ বয়ষ্ক, বিধবা ও প্রতিবন্দী ভাতা প্রদানেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যার ফলে নতুন করে আরও প্রায় সাত হাজার অসহায় মানুষ সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আসবে বলে ধারনা করা হচ্ছে”।

এই ভাতা পেতে হলে একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে “প্রতিবন্ধী পরিচয়পত্র” আগে সংগ্রহ করতে হবে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে। সরকার ২০০৫ সালে প্রথম প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ভাতা প্রদানের নিয়ম শুরু করেছিল। যার পরিমাণ ছিল মাসে দুই’শ টাকা। শুরুতে মোট ১ লাখ ৪ হাজার ১৬৬ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে ভাতা প্রদান করা হয়। ২০১৯ সাল পর্যন্ত সরকার এই টাকার পরিমাণ করেছে ৭৫০ টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবছরে পাস করা হয়েছে মোট ১৩৯০ দশমিক ৫০ কোটি টাকা। সামগ্রিক অংকে এটা একটা বড় অংক হলেও একজন একক ব্যক্তির জন্য প্রতিবন্ধী ভাতা সেই ৭৫০ টাকাই।
হাউলি কেউটিল নিবাসী সন্ধ্যা রানী শীল (৬০)জানান,সরকার আমাগের মত প্রতিবন্ধী মানুষগের এই ভাতা প্রদান করচে, এইডা আমাগের অসময়ের বান্ধব, আমাদের এইডা অনেক বড় একটা বড় সাহায্য”। দুনিয়াজোড়া করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট মহামারীর সময়ে একজন চরম দরিদ্র প্রতিবন্ধী ব্যক্তির জন্য প্রতিবন্ধী ভাতার অনেকাংশেই এসকল মানুষের বাঁচার পথ দেখিয়েছেন।

টেকসই উন্নয়নের অঙ্গীকার হিসেবে এসডিজির ২ নম্বর ধারায় রয়েছে “ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকার”। বাংলাদেশও এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বদ্ধ পরিকর। ক্ষুধাকে জয় করার জন্য অন্য যেকোন জনগোষ্ঠী নিজে যেটুকু কাজ করতে পারেন, একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা পারেন না, দুনিয়াজোড়া মহামারীকালীন সময়ে একজন চরম দরিদ্র প্রতিবন্ধী ব্যক্তির জন্য বিশেষ উপকার হচ্ছে।

জীবন চক্রবর্তী, গোয়ালন্দ।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg