শিরোনাম
গোয়ালন্দে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল ও ইয়াবাসহ আটক ৫ আইনপ্রণেতা হয়ে নিজেই আইন লঙ্ঘন করলেন এমপি মমতাজ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ গোয়ালন্দ সরকারি হাসপাতালে মসজিদে জমি দান করায় বাবাকে হাতুড়িপেটা করে নির্মমভাবে হত্যা গোয়ালন্দে ফেন্সিডিলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে রাজনীতিকে বিদায় জানালেন ছাত্রলীগ নেতা দুধ বিক্রি না করায় কৃষককে পেটালেন আ.লীগ নেতা ঢাকাসহ ১৩ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস বিদ্যালয়ের শ্রেণি কক্ষ ভাড়া নিয়ে চলছে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম ! ব্যাহত হচ্ছে স্কুলের পাঠদান। মানিকগঞ্জে পাসপোর্ট করতে এসে দালালসহ রোহিঙ্গা নারী আটক

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলেন এমপি দুর্জয়, প্রার্থী বললেন ‘আমি কাউরে বলি নাই’

নিউজ ডেস্ক | রাজবাড়ী টেলিগ্রাফ / ৫০ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২

0Shares

সাইফুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি, ১৪ সেপ্টেম্বর
আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সংসদ সদস্য ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী বীরমুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট গোলাম মহীউদ্দীন।
তিনি বর্তমান জেলা পরিষদ প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বে আছেন। আসন্ন নির্বাচনে লড়তে তিনি বুধবার বেলা ৩টার দিকে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন। সেসময় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) এ এম নাঈমূর রহমান দূর্জয়, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুলদতানুল আজম খাঁন আপেল, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও দ্যেলতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম রাজা, জেলা যুবলীগের আহবায়ক ও মানিকগঞ্জ পৌরসভার প্যানেল মেয়র আব্দুর রাজ্জাক রাজাসহ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী মহীউদ্দীনের সঙ্গে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হাজির হন ঘটনাস্থলে।এই সমাগমের দায়ভার এড়িয়ে মহীউদ্দীন বলেন, ‘আমি নিজে গেছি, আমার মেম্বার, চেয়ারম্যান ও উপজেলা চেয়ারম্যানদের নিয়ে গেছি। আমি তো এমপি বা কাউরে বলি নাই।’
এ বিষয়ে এমপি দূর্জয় জানান, প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে জনপ্রতিনিধিরা প্রার্থীর পক্ষে প্রচার চালাতে পারবে না। এর আগ পর্যন্ত থাকলে বিধি লঙ্ঘন হয় না।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনী আইনে আছে, সরকারের অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নির্বাচনি প্রচার বা নির্বাচনি কাজে থাকতে পারবেন না।সে হিসেবে এমপি অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মধ্যে পড়েন। এছাড়া মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় সর্বোচ্চ ৫ জন থাকতে পারবে। এমপি উপস্থিত থাকায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে।’
তিনি আরো জানান, ঘটনাটি রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ঘটনাটি অনাকাঙ্খিত দাবি করে ডিসি মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ বলেন, ‘একজন এমপি যদি হঠাৎ করে চলে আসেন তাহলে আমাদের কী করার আছে? তবে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় শুধু প্রার্থী গোলাম মহীউদ্দীন আর তার ছেলে ছিলেন।’
উল্লেখ্য, তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে ১৮ সেপ্টেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ করা হবে ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ভোট অনুষ্ঠিত হবে ১৭ অক্টোবর।

Facebook Comments


এ জাতীয় আরো খবর
NayaTest.jpg